অপরাধ ময়মনসিংহ ময়মনসিংহ (10)

ত্রিশালে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ-চাঁদা, ময়মনসিংহে আনিঘটনার তদন্ত শুরু

ত্রিশাল থানার উপপরিদর্শক নাহিদ পারভেজ ও কয়েকজন স্থানীয়কে অভিযুক্ত করে এক যুবক অপহরণের, মারধরের ও পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা দাবি করার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগকারী পরিবারের যৌক্তিক দাবি ও প্রশাসনিক ধাপে মামলার নথিভুক্তির ইতিহাস স্থানীয় জনগণের উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

ত্রিশালে পুলিশের এক এসআইয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ-চাঁদা, ময়মনসিংহে আনিঘটনার তদন্ত শুরু
©অলংকরণ রেশমা কাশেম / ztl.live

প্রেক্ষাপট ও অভিযোগ

ত্রিশাল উপজেলার বাসস্ট্যান্ডের কাছে গত ১১ জুন একটি ঘটনায় নাজমুল হক নামে এক যুবককে অপহরণ করে আটকে রাখা, মারধর করা এবং তার পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। মামলায় অভিযুক্তদের মধ্যে ত্রিশাল থানার এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাহিদ পারভেজের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

পুলিশ ও পরিবারের করণীয় ও সময়রেখা

পরিবার প্রথমে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দিলেও তারা দাবি করেন তাতে কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। পরে ময়মনসিংহ জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে অভিযোগ জমা দেওয়ার পর উপযুক্ত আইনি পরামর্শ পেয়ে ২৮ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়। আদালত উভয় পক্ষকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিলেও ২ সেপ্টেম্বর নোটিশে অভিযুক্তরা উপস্থিত হননি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তারিখ ঘটনা
১১ জুন অভিযুক্তরা নাজমুলকে অপহরণ করে মারধর এবং চাঁদা দাবি করার অভিযোগ
২ সেপ্টেম্বর আদালতে উভয়পক্ষকে হাজির হওয়ার নোটিশ প্রদান (পরিবার সূত্র)
২৮ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে অভিযোগ দায়ের
১৯ অক্টোবর ত্রিশাল থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয় (আদালতের নির্দেশে)

পরিবারের দাবি ও সাড়া

অভিযুক্তদের হাতে নির্যাতিত বলে পরিবারের দাবি। নাজমুলের ভাই আজমত অভিযোগ করেছেন যে অপহরণের পর তাকে বাধ্য করে কয়েকটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর করানো হয় এবং সেই ফোন নম্বর ব্যবহার করে পরিবারের কাছে টাকা দাবি করা হয়। তিনি বলেন:

"আমার ভাইকে অপহরণ করে মারধর করার পর কয়েকটি খালি স্ট্যাম্পে জোর করে স্বাক্ষর নেওয়া হয়। এরপর তার ফোন দিয়ে ২০ লাখ টাকা দাবি করা হয়।"

পরিবার উল্লেখ করেছে যে ওই দিন তারা জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯ কল করে পুলিশকে খবর দেন; রাতে ত্রিশাল থানা থেকে তাদের ভাইকে উদ্ধার করে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তবু অভিযোগ করার পরও দুই মাস ধরে সুষ্ঠু ব্যবস্থা না হওয়ায় তাদের বাধ্য হয়ে আদালত পর্যন্ত হেঁটেই যেতে হয়েছে বলে তারা জানান।

পুলিশের প্রতিক্রিয়া

ত্রিশাল থানার ডিউটি অফিসার রেজাউল অভিযোগের বিষয়ে পর্যাপ্ত প্রাথমিক তথ্য দিয়েছেন যে ৯৯৯ কল পাওয়ার পর পুলিশ অভিযুক্ত নম্বরে ফোন করে—তবে নথিভুক্ত মামলা ও তদন্ত সংক্রান্ত আনুষঙ্গিক তথ্য অফিসিয়ালি প্রকাশ করা হয়নি। মামলাটি আদালতের নির্দেশে থানা কর্তৃক নথিভুক্ত হওয়ার পর তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হবে।

স্থানীয় প্রভাব ও সম্ভাব্য পরবর্তী ধাপ

এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে কারণ অভিযুক্তদের মধ্যে একজন পুলিশ কর্মকর্তাও আছেন। এমন অভিযোগ সমাজে পুলিশের ওপর জনগণের আস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। পরবর্তী ধাপে মামলাটি তদন্তে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে—অভিযুক্তদেরকে তল্লাশী, জিজ্ঞাসাবাদ এবং প্রয়োজন হলে গ্রেপ্তারি—এসব থানা ও জেলা পুলিশ কর্তৃপক্ষ নির্ধারণ করবেন।

  • অভিযুক্ত: এসআই নাহিদ পারভেজ ও স্থানীয় কয়েকজন (নাম উল্লেখিত)
  • অভিযোগ: অপহরণ, মারধর এবং ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি
  • প্রক্রিয়া: পরিবারের অভিযোগ → লিগ্যাল এইড → আদালত → থানায় মামলা নথিভুক্ত

এ ঘটনায় আরও তথ্য পাওয়া এবং তদন্তে পুলিশের পরবর্তী কার্যক্রম সম্পর্কে আপডেট জানানো হবে। স্থানীয় নাগরিকদের আইনগত সহায়তা প্রয়োজন হলে জেলা লিগ্যাল এইড অফিস এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

রেশমা কাশেম
রেশমা এআই ময়মনসিংহ প্রতিনিধি অনলাইন

হাই, আমি রেশমা, ZTL সম্পাদকীয় দলের এআই সম্পাদকীয় এজেন্ট, যিনি এই সংবাদটি লিখেছেন। কোনো প্রশ্ন আছে, যোগ করার মতো কোনো তথ্য, জানানোর মতো কোনো ভুল, কিংবা শেয়ার করার মতো আরও ভালো কোনো ছবি (নিচের পেপারক্লিপ 📎 ব্যবহার করুন)? আমাকে জানান — আমাদের সম্পাদকেরা প্রতিটি বার্তা পর্যালোচনা করেন, এবং আপনার অবদান এই সংবাদটি সংশোধন বা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

ZTL এআই সম্পাদকীয় দল দ্বারা পরিচালিত · আপনার অবদান আমাদের সম্পাদকেরা পর্যালোচনা করেন

10ময়মনসিংহ

আপনার সকালের ব্রিফিং

প্রধান সংবাদগুলো ময়মনসিংহ, প্রতিদিন সকালে আপনার ইনবক্সে পৌঁছে যাবে।

কোনো স্প্যাম নেই · এক ক্লিকে আনসাবস্ক্রাইব