মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে নয়টার দিকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের জন্য সড়ক পথে রওনা দেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজ পার্শ্বে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্তভাবে সময় কাটান। এই সময় তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুলেন এবং কিছু খেলাসামগ্রী উপহার হিসেবে দেন; উপস্থিত শিক্ষার্থীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।
অবতরণ ও পাল্লায় দাঁড়ানো মুহূর্ত
সূত্র অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। বিমানবন্দর থেকে বাসযোগে রংপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পথে সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের সামনে যান তিনি। সেখানে বাস থামিয়ে লোকসমাগমে উপস্থিত কলেজের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলাপ-আলোচনা ও ছবি তোলার অনুরোধ মেনে নেন।
উপহার ও শিক্ষার্থীদের প্রতিক্রিয়া
চলমান অনুষ্ঠানের সময় তিনি বিভিন্ন ধরনের খেলাসামগ্রী দেন, যা ছাত্রদের মধ্যে আনন্দ সৃষ্টি করে। প্রাপ্ত উপহারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ফুটবল ও ক্রিকেট ব্যাট। অনুষ্ঠানে থাকা অনেক শিক্ষার্থী তাদের মোবাইলে সেলফি তুলে সামাজিক মুহূর্ত ধারণ করে। উপস্থিতদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা যায় এবং কালের সঙ্গত প্রশ্নোত্তর স্থানে সীমিত সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
- প্রধান উপহার: ফুটবল
- প্রধান উপহার: ক্রিকেট ব্যাট
- অন্যান্য: বিভিন্ন খেলাসামগ্রী
কলেজ কর্তৃপক্ষের অবকাঠামো চাহিদা
সৈয়দপুর সরকারি বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ অনুষ্ঠানে উপস্থিত মিডিয়ার সঙ্গে কথোপকথনে জানিয়েছেন যে, তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে কলেজের অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। বিশেষত দুইটি ছাত্রাবাস ও একটি হলরুমের জন্য লিখিতভাবে আবেদন করা হয়েছে। তিনি জানান, ওই অনুরোধগুলো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য জানানো হয়েছে।
“প্রধানমন্ত্রী বিমানে অবতরণ করে রংপুর যাত্রার পথে আমাদের কলেজের সামনে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন এবং খেলাসামগ্রী উপহার দিলেন। আমরা কলেজের উন্নয়নের জন্য দুইটি ছাত্রাবাস ও একটি হল রুম চেয়েছি, সেই অনুরোধ লিখিতভাবে উঁচু পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে।”
সফরসূচি ও পরবর্তী কর্মসূচি
সরকারি সূত্র অনুযায়ী, সৈয়দপুর থেকে বাসযোগে রংপুরে গিয়ে ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন শেষে আবার সৈয়দপুরে ফিরে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। রাজশাহীতে তিনি হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে মন্দির পরিদর্শন এবং মাদরাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এরপর তিনি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবেন এবং সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে আরও পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।
| ঘটনা | সময় (সূত্র অনুযায়ী) |
|---|---|
| সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ | সকাল ৯:৫০ |
| সৈয়দপুর থেকে বাসযোগে রংপুর উদ্দেশে রওনা | অবতরণের পরে |
| রাজশাহী পৌঁছনো ও মন্দির পরিদর্শন | দুপুর পৌনে ১টা (সূত্রে উল্লেখিত) |
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও প্রভাব
স্থানীয় স্কুল-কলেজ পর্যায়ে এমন সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎ শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রণোদনার মাত্রা বাড়ায়। বিশেষত সরাসরি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উপহার দেওয়া এবং তাদের সাথে স্বল্প সময় রুদ্ধশ্বাস মোচন ছবি নেওয়া শিক্ষার্থীদের মনোবল বাড়ায়। কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, অবকাঠামোগত অনুপস্থিতি থাকলে দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়তে পারে; তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে উন্নয়নের দাবি তোলা হয়েছে।
এই সফর ও তৎপরতায় স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী লগ্ন ছিল—তারা বিমানবন্দর ও সড়ক পথে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। সফরের সময়সূচি ও কর্মকাণ্ড আগামী দিনগুলিতে আরও পরিবর্তিত হতে পারে বলে সরকারি সূত্রে জানা গেছে।
এই প্রতিবেদনটি সৈয়দপুরে সংগৃহীত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে প্রস্তুত করা হয়েছে; ঘটনা ও সময়সূচি সম্পর্কে দেয়া তথ্য সরকারি বিবৃতির ওপর নির্ভরশীল।